গ্রীষ্মের তীব্র গরমে শরীর সুস্থ রাখতে শসা একটি উপকারী খাদ্য হিসেবে বিবেচিত। ভাত, রুটি বা মুড়ির সঙ্গে কয়েক টুকরো শসা বাঙালির খাদ্যতালিকায় প্রায় অপরিহার্য।
- ‘মরে গেলেই বাঁচি’ এমন ভাবনা এলে মুমিনের করণীয়
- * * * *
- হিপের ব্যথায় অবহেলা নয়, দ্রুত নিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ
- * * * *
- দোয়া কবুল হয়নি নাকি অন্যভাবে কবুল হয়েছে? ইসলামের ব্যাখ্যা
- * * * *
- আমাদের শর্তেই আলোচনা ‘ভিক্ষা’ করছে যুক্তরাষ্ট্র: ইরান
- * * * *
- ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রীর শরীরে কোপ, মাথাসহ শরীরে শতাধিক সেলাই
- * * * *
সুস্থ থাকতে
গরমকালে সুস্থ থাকতে সকালে কী খাওয়া উচিত, তা নিয়ে নানা মত রয়েছে। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, খালি পেটে কিছু ভেজানো বীজ খাওয়ার অভ্যাস শরীরের জন্য বেশ উপকারী হতে পারে।
নাস্তা বলতে আমরা সাধারণত মুখরোচক কোনো খাবারকেই বুঝি। বিশেষ করে মসলাদার, ডুবো তেলে ভাজা অথবা অতিরিক্ত লবণ কিংবা চিনি মিশ্রিত নানা খাবার। কিন্তু এসব খাবারই সুস্থ থাকার পথে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়।
বাঙালি রান্নাঘরে মাছ মানেই আলাদা আবেগ। রুই,কাতলা থেকে শুরু করে নানা রকম ছোট মাছ-প্রতিটিরই নিজস্ব স্বাদ ও পুষ্টিগুণ আছে।
তীব্র গরমে শরীরের ক্লান্তি যেন আরও দ্বিগুণ হয়ে যায়। তাই এসময় চাই স্বস্তিদায়ক কিছু খাবার। যা খাবার তালিকায় রাখা বাঞ্ছনীয়।
প্রচণ্ড গরমে বাড়ছে ক্লান্তি, পানিশূন্যতা ও হজমজনিত সমস্যা। এমন অবস্থায় চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদরা বলছেন—এই সময় খাদ্য তালিকায় হালকা, জলীয় উপাদানযুক্ত সবজি রাখলে শরীর থাকবে ঠাণ্ডা ও সতেজ।
শীতে অনেকের জ্বর, সর্দি, কাশির সমস্যা লেগেই থাকে। এ কারণে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।
প্রকৃতিতে অসংখ্য খাবার রয়েছে। বেঁচে থাকতে আমরা সেসব খাবার খেয়ে থাকি। নানারকম সবজি, ফল, শস্য আমাদের দীর্ঘজীবন এবং রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে শক্তি দেয়। তবে কিছু খাবার আমাদের জন্য উপকারি, কিছু ক্ষতিকর।
শীতকালে সর্দি-কাশি, জ্বর, গলাব্যথার মতো সমস্যাগুলো বাড়ে। আর তখনই সুস্থ হতে তাৎক্ষণিক ওষুধই ভরসা হয়ে ওঠে। তবে সাময়িক সুস্থ হলেও কিছুদিন পর আবার সেই সমস্যা দেখা দেয়। তাই এই সমস্যার একটা স্থায়ী সমাধান জরুরি। তার জন্য ভরসা হতে পারে কমলা রঙের ৩ ফল। শীতের বাজারে খুঁজলেই পেয়ে যাবেন।
শীত এখনো পুরোপুরি জেঁকে বসেনি, তাতেই জ্বর-সর্দি-কাশিতে ভুগছেন কমবেশি সবাই।